পোস্টগুলি

International Relations লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

bu ma 1st sem political science notes

ছবি
The University of Burdwan MA 1st Sem Political Science Notes Paper: 104;  Politics in South Asia

bu 4th semester(Honours) political science notes

ছবি
  The University of Burdwan Political Science Notes 4th Semester(Honours) Paper: CC-8; International Relations

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আদর্শবাদী তত্ত্ব

  The University of Burdwan B.A.  4th Semester Political Science (Honours) CC-8; International Relations প্রথম অধ্যায়

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রকৃতি ও পরিধি

  The University of Burdwan B.A.  4th Semester Political Science (Honours) CC-8; International Relations প্রথম অধ্যায়

ঠান্ডযুদ্ধের উদ্ভব এবং সমাপ্তি

  The University of Burdwan B.A.  4th Semester Political Science (Honours) CC-8; International Relations চতুর্থ অধ্যায়

ভারতের বিদেশনীতির মূল বৈশিষ্ট্য

ছবি
  প্রশ্ন-১; ভারতের বিদেশনীতির  মূল বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো। উত্তরঃ ভারতের বিদেশনীতির বৈশিষ্ট্যঃ বিদেশনীতি বা পররাষ্ট্রনীতি হল কোনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ। বিদেশনীতির মাধ্যমে একটি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক স্তরে অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। নীচে ভারতের বিদেশনীতির মুল বৈশিষ্ট্যগুলি  আলোচনা করা হল- ১) পঞ্চশীলঃ ভারতের বৈদেশিক নীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল পঞ্চশীল নীতির অনুসরণ। ১৯৪৫ সালে তদানীস্তন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু সর্বপ্রথম ' পঞ্চশীল নীতির কথা ঘোষণা করেন। পঞ্চশীলের এই ৫-টি নীতি হল- ১) প্রতিটি রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শন ; ২) অনাক্রমণ ; ৩) অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা ; ৪) সাম্য ও পারস্পরিক সাহায্য এবং ৫) শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান । ২) জোট নিরপেক্ষতাঃ ভারতের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হল জোটনিরপেক্ষতা। জোটনিরপেক্ষতা হল বিশ্বের কোনো শক্তিজোটের সঙ্গে যুক্ত না থেকে শাস্তিপূর্ণ ও স্বাধীনভাবে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করা। তবে জোটনিরপেক্ষ নীতি অবলম্বন করলেও ভারত যুদ্ধ ও শ...

কূটনীতির প্রকারভেদ

ছবি
  প্রশ্ন-১;  সমকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সক্রিয় কূটনীতির বিভিন্ন ধরনগুলি বিবৃত কর। (৫/১৯) অথবা কূটনীতির বিভিন্ন প্রকারভেদ্গুলি আলোচনা করো। উত্তরঃ কূটনীতির প্রকারভেদঃ কাজের ধরন অনুযায়ী কূটনীতিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। নীচে কূটনীতির এই বিভিন্ন ধরন বা প্রকারভেদগুলি আলোচনা করা হল। যেমন- ১) গোপন কূটনীতিঃ গোপন কূটনীতি বলতে কূটনীতির সেই পদ্ধতিকে বোঝায় যেখানে কূটনৈতিক আলোচনা ও কার্যাবলি গোপন রাখা হয়। গোপন কূটনীতির ক্ষেত্রে কূটনীতি পরিচালনায় জনগণের কোনো ভূমিকা থাকে না। ঊনবিংশ শতাব্দীতে মনে করা হত কূটনীতির এই গোপন পদ্ধতি ক্ষমতার ভারসাম্য ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার স্থায়িত্ব রক্ষায় সহায়ক। ২) প্রকাশ্য বা গণতান্ত্রিক কূটনীতিঃ প্রকাশ্য কূটনীতির মূলকথা হল এই যে , কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা ও কার্যকলাপ গোপন না রেখে জনগণের কাছে প্রকাশ করতে হবে। প্রকাশ্য কূটনীতি জনমতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে। তাই প্রকাশ্য কূটনীতিকে অনেক সময় গণতান্ত্রিক কূটনীতিও বলা হয়ে থাকে। ৩) সম্মেলনের মাধ্যমে পরিচালিত কূটনীতিঃ বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান , বিদেশমন্ত্রী ও পদস্থ কর্মচারী অথবা কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা য...

NSG সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টিকা লেখ

ছবি
  প্রশ্ন-১;  NSG সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টিকা লেখ। (৫/২২) উত্তরঃ ভূমিকাঃ NSG বা পারমাণবিক শক্তি সরবরাহকারী গোষ্ঠী হল পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলির একটি গোষ্ঠী যাদের মূল কাজ হবে পৃথিবীতে কোন দেশে কত পরিমাণ পারমাণবিক পদার্থ রফতানি করা হবে , বা আদৌ হবেনা , সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং এইভাবে পারমাণবিক প্রযুক্তি , সরঞ্জাম এবং কৃৎকৌশল রফতানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পারমাণবিক বিস্ফোরণের সম্ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ করা। ইতিহাসঃ NSG গঠিত হয় ১৯৭৪ সালে ভারতের পারমাণবিক শক্তি পরীক্ষার পরিপ্রেক্ষিতে। এর প্রথম বৈঠক বসে ১৯৭৫ সালের নভেম্বরে। পরবর্তী তিন বছরে লন্ডনে বেশ কতকগুলি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং চুক্তি সম্পাদিত হয়। লন্ডনে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলি ক্রমে লন্ডন গোষ্ঠী বা London Suppliers Group (LSG) বলে পরিচিত হতে থাকে। এই লন্ডন গোষ্ঠী একটি তালিকা প্রস্তুত করে এবং স্থির করে যে , শুধুমাত্র এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত বস্তু পারমাণবিক শক্তিহীন ( non-nuclear) দেশগুলিতে রফতানি করা যাবে। ১৯৭৮ সালের পর দীর্ঘদিন এই নিয়ে কোনো আলাপ-আলোচনা বা বৈঠক হয়নি। এরপর উপসাগরীয় যুদ্ধের প্রেক্ষিতে এবং ইরাকের প...

রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক এবং প্রযুক্তিগত বিশ্বায়ন

ছবি
  প্রশ্ন-১; বিশ্বায়ন কী? বিশ্বায়নের রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক এবং প্রযুক্তিগত মাত্রা বা দিকগুলি সমালোচনা সহ বিশ্লেষণ করো। ১০(২০১৯) উত্তরঃ বিশ্বায়নের সংজ্ঞাঃ বিশ্বায়ন হল বিশ্বব্যবস্থা সম্প্রসারণের এমন এক প্রক্রিয়া যার দ্বারা রাষ্ট্র সংক্রান্ত সমস্ত সংকীর্ণ ধারণার অবসান ঘটে এবং অর্থনৈতিক , রাজনৈতিক , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী অবাধ আদান প্রদানের পথ সুগম হয়। বিশ্বায়ন ধারণাটির প্রবর্তক রোল্যান্ড রবার্টসন বিশ্বের সংকুচিতকরণ ও একত্রীকরণকেই বিশ্বায়ন বলে চিহ্নিত করেছিলেন। জোসেফ স্টিগলিৎজ এর মতে, বিশ্বায়ন হল প্রকৃতপক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে একধরনের নিবিড় একাত্মতা বা ঘনিষ্ঠতার সংহতি। এককথায় বিশ্বায়ন হল সমগ্র বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক , সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে একক বিশ্বের আদর্শ প্রতিষ্ঠা এবং নিবিড় সংযােগসাধনের একটি প্রক্রিয়া। বিশ্বায়নের রাজনৈতিক দিকঃ রাজনৈতিক বিশ্বায়ন বলতে  আকার ও জটিলতার দিক থেকে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধিকে বোঝায়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে বিশ্বের দূরতম প্রান্তে যোগাযোগ সুগম হয়ে...

শক্তিসাম্যের বিভিন্ন কৌশল

  The University of Burdwan B.A.  4th Semester Political Science (Honours) CC-8; International Relations তৃতীয় অধ্যায়

আদর্শবাদী এবং বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে পার্থক্য

  The University of Burdwan B.A.  4th Semester Political Science (Honours) CC-8; International Relations প্রথম অধ্যায়  

জাতীয় শক্তির উপাদান বা নির্ধারক, Elements of national power

ছবি
জাতীয় শক্তি বা জাতীয় ক্ষমতার মূল উপাদান বা নির্ধারক গুলি আলোচনা করো।  জাতীয় শক্তির মূল উপাদান বা নির্ধারক

জাতীয় শক্তি, প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য, National Power

ছবি
The University of Burdwan B.A.  4th Semester Political Science (Honours) CC-8; International Relations দ্বিতীয় অধ্যায়