ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা; Electoral process in India
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থা
ভূমিকা;
নির্বাচন ব্যবস্থা হল গণতন্ত্রের অন্যতম
স্তম্ভ। কারন জনসাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে যেমন সরকার গঠনে সাহায্য করে তেমনি
সরকারকে নিয়ন্ত্রণ, রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ এবং রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণ
করার সুযোগ লাভ করে। তাই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাফল্যের স্বার্থে নির্বাচন ব্যবস্থা
সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হওয়া দরকার।
ভারতের সংবিধানের রচয়িতারা নির্বাচন
ব্যবস্থার সাফল্যের ব্যাপারে বিশেষভাবে সজাগ ছিলেন। এই কারনে নির্বাচন পরিচালনার
দায়িত্ব শাসন বিভাগ বা আইন বিভাগের হাতে ন্যস্ত না করে একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সংস্থ্যার
হাতে অর্পন করেছে।
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থার প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য;
ভারতের সংবিধানের ৩২৪ থেকে ৩২৯ নং ধারায়
নির্বাচনি ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে। এছাড়া নির্বাচন ব্যবস্থা সুষ্ঠভাবে
পরিচালনার জন্য পার্লামেন্ট বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করতে পারে। উদাহরণ
হিসাবে ১৯৫০, ১৯৫১ এবং ১৯৫২ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের কথা বলা যায়। এদিক থেকে ভারতের
নির্বাচন ব্যবস্থার কতগুলি বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করা যায়। যেমন-
১) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ
নির্বাচন;
ভারতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভর প্রকার
নির্বাচন ব্যবস্থা বর্তমান। লোকসভা, বিধানসভা এবং স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসন মূলক সংস্থ্যার
সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হয়। অন্যদিকে রাজ্যসভা, বিধান পরিষদ
এবং রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি জনগণের দ্বারা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হয়।
২) সার্বজনীন
প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার;
ভারতের সংবিধানের ৩২৬ নং ধারায় সার্বজনীন
প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকারের নীতি স্বীকার করা হয়েছে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ,
স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে ১৮ বছর বয়স্ক সকল নাগরিক ভোটদানের অধিকারী। যদিও কিছু
বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বা নির্বাচনী অপরাধের জন্য রাষ্ট্র ব্যাক্তির ভোটাধিকার কেড়ে
নিতে পারে।
৩) ভোটদানের ক্ষেত্রে
সমতা নীতি;
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থায় ভোটদানের ক্ষেত্রে
সমতার নীতি স্বীকার করা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে সকল ভোটদাতা মাথাপিছু একটি করে ভোট
দেওয়ার অধিকারী। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর সাথে একজন সাধারন
ভোটদাতার কোনো পার্থক্য নেই।
আরো পড়ুন; ভারতের নির্বাচন কমিশনের গঠন ক্ষমতা ও কার্যাবলী
৪) সমপ্রতিনিধিত্বের নীতি;
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থায় প্রতিটি নির্বাচনী
এলাকা থেকে সমান সংখ্যক প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা আছে। লোকসভা বা বিধানসভার নির্বাচনের
সময় নিদিষ্ট জনসংখ্যার ভিত্তিতে কতগুলি নির্বাচনি এলাকা ঠিক করা হয়, এবং প্রতিটি
নির্বাচনি এলাকা থেকে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন।
৫) অনগ্রসর
সম্প্রদায়ের জন্য আসন সংরক্ষণ;
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থায় অনগ্রসর
সম্প্রদায়ের জন্য নিদিষ্ট আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে। লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় তফসিলি
জাতি ও তফসিলি উপজাতিদের জন্য নিদিষ্ট আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি
প্রয়োজন মনে করলে দুজন ইঙ্গভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্য মনোনীত করতে পারেন। তবে ধর্মীয়
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য কোনো আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই।
৬) নির্বাচনে প্রার্থীদের
সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠা;
ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থায় প্রতিদ্বন্ধি
প্রার্থীরা যাতে প্রত্যেকে সমান সুযোগ পায় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজনীতিক দলের
সাথে সাথে সাধারণ মানুষও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে পারে। এছাড়া প্রভাবশালী প্রতিদ্বন্ধি
কোনো প্রার্থী প্রচুর অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে যাতে প্রভাবিত করতে না
পারে তার জন্য প্রতিটা নির্বাচনে প্রার্থীদের অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি নিদিষ্ট করে দেওয়
হয়েছে।
৭) নিরপেক্ষ নির্বাচন
কমিশন;
অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন
প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্য ভারতে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব শাসন বিভাগ বা আইন বিভাগের
হাতে ন্যস্ত না করে একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র সংস্থ্যার হাতে অর্পন করা হয়েছে। এই সংস্থ্যাটি
হল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সংবিধানের ৩২৪ নং ধারায় নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় ক্ষমতা
ও কার্যাবলীর উল্লেখ আছে।
৮) নির্বাচন সম্পর্কিত
বিরোধ মীমাংসা;
ভারতে নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য নিদিষ্ট সাংবিধানিক ব্যবস্থা আছে। মূল সংবিধানে নির্বাচন সংক্রান্ত যেকোন বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষমতা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গঠিত নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের হাতে অর্পণ করা হয়েছে। ১৯৬৬ সালে সংবিধানের ১৯ তম সংশোধনের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা বাতিল করে আদালতের হাতে অর্পণ করা হয়। ১৯৭৫ সালে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নির্বাচনকে এলাহাবাদ হাইকোর্ট অবৈধ বলে ঘোষনা করার পর সংবিধানের ৩৯-তম সংশোধনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও লোকসভার অধ্যক্ষের নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষমতা আদালতের পরিবর্তে পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত একটি নিদিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে অর্পণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে সংবিধানের ৪৪ তম সংশোধনের মাধ্যমে পূর্বাবস্থা ফিরিয়ে আনা হয়। অর্থাৎ বর্তমানে নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় বিরোধের নিষ্পত্তি করে আদালত।
এই বিষয়ের ওপর অন্যান্য প্রশ্নোত্তর
যে প্রশ্নের উত্তর দরকার
জাস্ট সেই প্রশ্নের ওপর ক্লিক করো।
উত্তর পেয়ে যাবে-
প্রথম অধ্যায়
১) সংবিধান প্রণয়নে ভারতীয় গণপরিষদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো। ১০ (২০১৯)
২) ভারতের গণপরিষদের গঠন আলোচনা করো। ৫ (২০২১)
৪) সংক্ষেপে ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনার তাৎপর্যটি বিশ্লেষণ করো। ৫ (২০১৯)
৬) সংক্ষেপে ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনার তাৎপর্যটি বিশ্লেষণ কর। ১০ (২০২০)
যে প্রশ্নের উত্তর দরকার
জাস্ট সেই প্রশ্নের ওপর ক্লিক করো।
উত্তর পেয়ে যাবে-
দ্বিতীয় অধ্যায়
১) ভারতের সংবিধানের 14 নং ধারায় প্রদত্ত সাম্যের অধিকারের প্রকৃতি ও ব্যাপ্তি আলোচনা কর ।
৩) ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত 'সাম্যের অধিকার'-এর ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা কর। ১০ (২০২০)
৪) ভারতীয় সংবিধানে 19 নং ধারায় স্বীকৃত ভারতীয় নাগরিকগণের স্বাধীনতার অধিকারগুলি উল্লেখ করো।
৫) ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার -এর ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা কর।
৬) ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার -এর ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা কর।
৭) ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অধিকার-এর ওপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা কর।
৯) ভারতের সংবিধানে বর্ণিত শাসনতান্ত্রিক প্রতিবিধানের অধিকারে'-র উপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো। ৫ (২০২১)
১২) রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশমূলক নীতিগুলির তাৎপর্য সংক্ষেপে আলোচনা কর । ৫ (২০২০)
১৩) সংক্ষেপে নির্দেশমূলক নীতির গুরুত্ব আলোচনা করো। ৫ (২০১৯)
১৫) রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশমূলক নীতিগুলির তাৎপর্য আলোচনা করো। ৫ (২০২৩)
১৭) ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকার ও নির্দেশমূলক নীতিগুলির মধ্যে পার্থক্য দেখাও। ৫ (২০২০)
যে প্রশ্নের উত্তর দরকার
জাস্ট সেই প্রশ্নের ওপর ক্লিক করো।
উত্তর পেয়ে যাবে-
তৃতীয় অধ্যায়ঃ
১) ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কি? ৫ (২০২২)
২) ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার যে-কোনো চারটি মূল বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত কর।৫ (২০২০)
৩) ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কী? ভারত কী একটি আধা যুক্তরাষ্ট্র? ৫ (২০২৩)
৪) কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আইনজনিত সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো। ১০ (২০১৯)
৫) কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আইনগত সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর। ১০ (২০২০)
৬) ভারতে কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির মধ্যে প্রশাসনিক সম্পর্কের উপর একটি আলোচনা কর। ১০ (২০২২)
৭) কেন্দ্র ও রাজ্যর মধ্যে প্রশাসনিক সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো। ১০ (২০২১)
চতুর্থ অধ্যায়
১) লোকসভার গঠন ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করো।
২) রাজ্যসভার গঠন ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করো।
৩) রাজ্যসভার কার্যাবলী উল্লেখ করো। ১০ (২০১৯)
৪) রাজ্যসভার কার্যাবলীর ওপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ । ৫ (২০২০)
৫) ভারতীয় সংসদে আইন পাসের পদ্ধতি আলোচনা করো।
৭) ভারতের লোকসভার স্পিকার এর গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি কি কি? ৫ (২০২০)
৮) লোকসভার অধ্যক্ষের ক্ষমতা এবং পদমর্যাদার মূল্যায়ন করো। ১০ (২০২১)
৯) ভারতীয় সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতিসমূহ আলোচনা করো। ১০ (২০১৯)
১০) ভারতীয় সংবিধানের সংশোধন পদ্ধতির উপর একটি সমালোচনামূলক নিবন্ধ লেখ।১০ (২০২২)
১১) ভারতীয় সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতিগুলি আলোচনা কর। ১০ (২০২০)
যে প্রশ্নের উত্তর দরকার
জাস্ট সেই প্রশ্নের ওপর ক্লিক করো।
উত্তর পেয়ে যাবে-
পঞ্চম অধ্যায়
১) সংক্ষেপে ভারতের রাষ্ট্রপতির 352নং ধারায় জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত ক্ষমতাগুলি আলোচনা করো। ৫ (২০১৯)
৩) ভারতের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও পদমর্যাদা সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।৫ (২০২০)
৪) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যাবলীসমূহ ব্যাখ্যা কর। ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন? ৫ (২০২০)
৫) ভারতে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা ও কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো। ভারতে প্রথম বিদেশমন্ত্রী কে ছিলেন? ৫ (২০১৯)
৬) সমালোচনাসহ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও পদমর্যাদা আলোচনা করো। ১০ (২০২১)
৭) কোনো রাজ্যের রাজ্যপালের স্ববিবেচনাপ্রসূত ক্ষমতাগুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো। ৫ (২০১৯)
৯) কোনো রাজ্যের রাজ্যপালের স্ববিবেচনা-প্রসূত ক্ষমতাগুলি সংক্ষেপে আলোচনা কর। ৫ (২০২০)
১০) ভারতের যেকোন একটি অঙ্গরাজ্যের রাজ্যপালের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতার উপর টীকা লেখ। ৫ (২০২১)
১২) ভারতের কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যাবলী সংক্ষেপে আলোচনা কর। ৫ (২০২২)
ষষ্ঠ অধ্যায়
১) ভারতে সুপ্রিম কোর্টের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা করো। ১০ (২০১৯)
২) সংক্ষেপে ভারতের সুপ্রিমকোর্টের গঠন ও কার্যাবলী আলোচনা করো। ১০ (২০২১)
৩) ভারতে হাইকোর্টের গঠন ক্ষমতা বা কার্যাবলী আলোচনা করো।
৪) ভারতে হাইকোর্টের গঠন আলোচনা করো। ৫ (২০২১)
যে প্রশ্নের উত্তর দরকার
জাস্ট সেই প্রশ্নের ওপর ক্লিক করো।
উত্তর পেয়ে যাবে-
সপ্তম অধ্যায়
১) ভারতীয় দলব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা কর। ১০ (২০২২)
২) ভারতের রাজনৈতিক দলব্যবস্থার চারটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর। একটি জাতীয় দলের নাম কর। ৫ (২০২০)
৩) ভারতের দলব্যবস্থার চারটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর। ৫ (২০২০)
৪) ভারতের দলীয় ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা করো। ১০ (২০২১)
৬) ভারতে দল ব্যবস্থার চারটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো। ৫ (২০১৯)
অষ্টম অধ্যায়
১) ভারতের নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী উল্লেখ কর। নির্বাচন কমিশনের গঠন কিরূপ? ১০ (২০২০)
২) ভারতের নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি উল্লেখ করো। নির্বাচন কমিশনের গঠনটি কীরূপ? ৫ (২০১৯)
৪) নির্বাচন কমিশনের কার্যাবলীর ওপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ । ৫ (২০২০)
৬) ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যাবলী কী কী? ৫ (২০১৯)

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন